দৃশ্যমান পরিবেশের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠনের কাঠামো-উপকাঠামো

৬ষ্ঠ শ্রেণি বিজ্ঞান প্রথম ষাণ্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়ন বা অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা ২০২৩ অনুষ্ঠিত হবে ১১ জুন ২০২৩; সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিতব্য ষষ্ঠ শ্রেণি বিজ্ঞান বিষয়ের অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র এবং সম্ভাব্য নমুনা উত্তর (দৃশ্যমান পরিবেশের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠনের কাঠামো-উপকাঠামো) নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন।

শিখন অভিজ্ঞতা : পিকনিক পিকনিক

প্রাসঙ্গিক যোগ্যতা:

  • দৃশ্যমান পরিবেশের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠনের কাঠামো-উপকাঠামো ও তাদের বৈশিষ্ট্যের মধ্যকার সম্পর্ক অনুসন্ধান করতে পারা।
  • প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম সিস্টেমের উপাদানসমূহের নিয়ত পরিবর্তন ও পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার ফলে যে আপাত স্থিতাবস্থা সৃষ্টি হয় তা অনুসন্ধান করতে পারা।

পারদর্শিতার নির্দেশক:

  • কোনো একটি প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম বস্তুর কোন অংশ কী বৈশিষ্ট্য (আচরণ/কাজ) প্রকাশ করে তা চিহ্নিত করছে।
  • বস্তুর বিভিন্ন অংশ বা উপাদান সামগ্রিকভাবে বস্তুটির বৈশিষ্ট্য (আচরণ/কাজ) কিভাবে নির্ধারণ করে তা ব্যাখ্যা করছে।
  • প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম সিস্টেমের উপাদানগুলোর পরিবর্তন ও পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া চিহ্নিত করছে।
  • সিস্টেমের উপাদানসমূহের পরিবর্তন ও বিভিন্ন মিথস্ক্রিয়া যেভাবে সিস্টেমের আপাত স্থিতিশীলতা তৈরি করে তা খুঁজে বের করছে।

দৃশ্যমান পরিবেশের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠনের কাঠামো-উপকাঠামো

পরিবেশের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠন এবং উপকাঠামো এবং তাদের বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা যায়। প্রাকৃতিক বস্তুসমূহ হলো মাটি, জল, বাতাস, উষ্ণতা, আলো, বন এবং প্রাণিসমূহ সহ সমস্ত জীবাণুগুলি। কৃত্রিম বস্তুসমূহ হলো মানুষ তৈরি বস্তুসমূহ যেমন পথ, বাড়ি, পুকুর, সেতু, গণ্ডগোল এবং উচ্চতা সংক্রান্ত সৌন্দর্য প্রাধান্যমূলক কাঠামো এবং উপকাঠামো নির্ধারণ করা হয়।

পাঠ্যসূচী

দৃশ্যমান পরিবেশের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠনের কাঠামো-উপকাঠামো ও তাদের বৈশিষ্ট্যের মধ্যকার সম্পর্ক-

কাঠামো হলো একটি পরিকল্পনামূলক অবয়ব বা গঠন যা বস্তুগুলির সারি এবং বন্ধনের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ সংজ্ঞা দেয়। এটি একটি বিশেষ সাজানো অ্যারাংজমেন্ট বা নকশা যা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। এটি স্থায়ী বা অস্থায়ী হতে পারে এবং আকার, আয়তন, উচ্চতা, কমপক্ষে দুটি বিন্যাস এবং বিভিন্ন আবশ্যক সংস্থান যেমন পথ, দরজা, জানালা, কক্ষ, গণ্ডগোল, বাগান ইত্যাদি অনুসারে পরিবর্তন করা যায়।

প্রাকৃতিক বস্তুসমূহ অন্যতম কাঠামো নির্ধারণ করে যায়, কিন্তু কৃত্রিম বস্তুসমূহ তৈরি বস্তুসমূহের ক্ষেত্রে কাঠামো নির্ধারণ এবং উপকাঠামো মানব নির্মিত হয়। তবে এই দুটির মধ্যে সম্পর্ক আছে কারণ কৃত্রিম বস্তুসমূহ প্রাকৃতিক উপাদানগুলি ব্যবহার করে তৈরি হয় এবং তাদের গঠনে প্রাকৃতিক বস্তুসমূহের নির্দিষ্ট নিয়ম এবং নীতিমালায় অনুসরণ করা হয়। এছাড়াও, কৃত্রিম বস্তুসমূহের কাঠামো ও উপকাঠামো তৈরি হয় মানব প্রযুক্তি, সংস্কৃতি এবং সামাজিক পরিবেশের প্রতিষ্ঠান এবং সংরক্ষণাগার হিসাবে।

দৃশ্যমান পরিবেশের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠনের কাঠামো-উপকাঠামো

কাঠামো এবং উপকাঠামো একটি ব্যবস্থা সৃষ্টি করে যা পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান এবং বস্তুসমূহকে সংকল্প করে থাকে এবং তাদের নির্দিষ্ট ভূমিকা পালন করে। উপকাঠামো অবশ্যই একটি কাঠামোর অংশ হয়, কারণ এটি একটি সমষ্টিগত বা পূর্ণাঙ্গ কার্যকারিতা প্রদর্শন করে না। পরিবেশের সাথে সম্পর্কে কৃত্রিম বস্তুসমূহের কাঠামো ও উপকাঠামো একটি বিশেষ প্রতিষ্ঠান গঠন করে যা আমাদের জীবনে প্রায় সবসময় উপস্থিত থাকে এবং পরিবেশের প্রভাব গ্রহণ করে।

সুতরাং, কাঠামো ও উপকাঠামো পরিবেশের প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম বস্তুসমূহের সাথে একটি সম্পর্ক সৃষ্টি করে। কাঠামো ও উপকাঠামো পরিবেশের উপাদানগুলির সম্প্রসারণ এবং বিন্যাসের পদ্ধতি নির্ধারণ করে এবং তাদের বৈশিষ্ট্যগুলি উপলব্ধ করে দেয়। যেমন একটি অপেক্ষাকৃত ছোট বাগানের জন্য একটি বিশেষ পরিবেশের পরিকল্পনা তৈরি করা হয়ে থাকে, যাতে প্রাকৃতিক আলো, জল, মাটি, পুষ্প, গাছ এবং পাখিরা প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

দৃশ্যমান পরিবেশের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠনের কাঠামো-উপকাঠামো

সমগ্র সংসাধানের প্রাকৃতিক উপাদানগুলি ব্যবহার করে মানুষ কৃত্রিম বস্তুসমূহ তৈরি করে এবং তারা পরিবেশের প্রভাব গ্রহণ করে। উদাহরণস্বরূপ, বিভিন্ন বিন্যাসের জন্য সিমেন্ট, বালু, পাথর, ইট ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। তারপরও, কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠনে প্রাকৃতিক বস্তুসমূহের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈশিষ্ট্য মেনে চলা উচিত, যেমন বায়ুমণ্ডলে সংস্থানের জন্য উচ্চ সানন্দের কারণে পরিবেশ সৃজন করা এবং প্রাকৃতিক উপাদানগুলির সম্প্রসারণ ও বিন্যাসে মানব সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তির প্রভাব বিবেচনা করা।

সুতরাং, পরিবেশের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠনের কাঠামো-উপকাঠামো ও তাদের বৈশিষ্ট্যের মধ্যকার সম্পর্কটি সূচায়িত করে যে মানব কৃত্রিম বস্তুসমূহ পরিবেশের প্রাকৃতিক উপাদানগুলি ব্যবহার করে তৈরি করে এবং পরিবেশের প্রভাব গ্রহণ করে। সম্পূর্ণ পরিবেশ বহনের জন্য কাঠামো এবং উপকাঠামো প্রয়োজন এবং প্রতিষ্ঠান করা হয় পরিবেশের প্রাকৃতিক উপাদানগুলির সম্প্রসারণ এবং বিন্যাসের মাধ্যমে।

কোনো একটি প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম বস্তুর কোন অংশ যে বৈশিষ্ট্য (আচরণ/কাজ) প্রকাশ করে-

একটি প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম বস্তুর বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করতে এটি সাধারণত এর আচরণ বা কাজের মাধ্যমে সম্পর্কিত হতে পারে। নিম্নলিখিত উদাহরণগুলি প্রদান করা হলো:

প্রাকৃতিক বস্তুর উদাহরণ:

  • একটি গাছ বৃদ্ধি প্রদর্শন করে এবং অক্সিজেন প্রস্তুত করে।
  • একটি নদী পানি পরিবহন করে এবং জলাশয়ের মাধ্যমে জীবনযাপন সম্ভব করায়।
  • একটি পাখি উড়ে ঘাসের বীজ ছড়িয়ে আবৃত করে এবং বীজগুলি ছোড়ে দেয় যা নতুন বৃদ্ধির উৎস হয়।

কৃত্রিম বস্তুর উদাহরণ:

  • একটি গাড়ি চালানোর জন্য ইঞ্জিন চালিয়ে যাওয়া হয় যা চালকের পরিচর্যা করে এবং গতি প্রদান করে।
  • একটি পিস্তনায়ক যন্ত্র বাড়ানোর জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় যা বিভিন্ন পদার্থকে পীঠে ধরে এবং উচ্চতায় উঠিয়ে তুলে ধরে।
  • একটি কম্পিউটার তথ্য প্রসেস করে এবং বিভিন্ন কাজে সহায়তা প্রদান করে।

এগুলি কেবলমাত্র উদাহরণ এবং আচরণ বা কাজের প্রকাশের একটি সাধারণ পরিবেশ উপর নির্ভর করে। প্রাকৃতিক বস্তুর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করার জন্য তার স্বাভাবিক আচরণ ও পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত হতে হয়, যখনি কৃত্রিম বস্তুর বৈশিষ্ট্য কাজ করার মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়।

বস্তুর বিভিন্ন অংশ বা উপাদান সামগ্রিকভাবে বস্তুটির বৈশিষ্ট্য (আচরণ/কাজ) যেভাবে নির্ধারণ করে-

একটি বস্তুর বিভিন্ন অংশ বা উপাদান সমগ্রিকভাবে বস্তুটির বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করতে নিম্নলিখিত কিছু উপায় ব্যবহার করা হয়:

  • সংস্থান: একটি বস্তুর সংস্থান তার বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে যেমন তা কোথায় অবস্থিত হয়। সংস্থান অনুযায়ী একটি বস্তুর আচরণ এবং কাজ পরিবর্তন করতে পারে।
  • সামারিক বৈশিষ্ট্য: একটি বস্তুর সামারিক বৈশিষ্ট্য সংজ্ঞায়িত করে যেমন তা যেমন দেখায়, গন্ধ দেয়, স্পর্শ করা যায় এবং শব্দ করতে পারে।
  • সামগ্রিক গঠন: বস্তুটির গঠন সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে, যেমন তার আকার, আকৃতি, পরিমাপ, পরিবেশ সাথে সংযোগ স্থাপন করার জন্য ব্যবহৃত উপাদানগুলি ইত্যাদি।
  • প্রক্রিয়া এবং কাজ: একটি বস্তুর কার্যকারিতা বা কাজ তার বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি যন্ত্রের কার্যকারিতা তার পরিবেশ সাথে সম্পর্কিত হতে পারে যেমন এটি কি সংকচন ও প্রসারণের কার্যকারিতা রয়েছে কিনা।
  • প্রভাব: একটি বস্তুর প্রভাব তার বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করতে পারে, যেমন একটি বস্তুর পরিবেশের উপর কী প্রভাব রয়েছে এবং কী প্রভাব তা পায়।

এই সমগ্রিক উপায়গুলি ব্যবহার করে বস্তুটির বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করা হয়, যা ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্তরে পরিবর্তিত হতে পারে। এছাড়াও, বৈজ্ঞানিক মেপের সাথে এই বৈশিষ্ট্যগুলি মাপা যায় যাতে সংশ্লিষ্ট পরিমাপ পরিসংখ্যান করা যায়।

প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম সিস্টেমের উপাদানগুলোর পরিবর্তন ও পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া-

প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম সিস্টেমের উপাদানগুলোর পরিবর্তন ও পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার চিহ্নিত করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পরিবেশ বিজ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রয়োজন। তবে কিছু সাধারণ উদাহরণ নিম্নলিখিত হতে পারে:

প্রাকৃতিক সিস্টেম:

  • জলমানবর: আগুন প্রতিবর্ষে নিখোঁজ করা যায়।
  • জলমানবর গ্রন্থী: মসৃণ দ্রব্যের স্থানে আরব্ধ হয়।
  • জলমানবর দ্রব্য: সুপারিমপানের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ বৃদ্ধি প্রকাশ করে।

কৃত্রিম সিস্টেম:

  • বিদ্যুৎ উৎপাদন স্থান: বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্যোতির্বিদ্যুত্ব পরিবর্তন হয়।
  • পরিবহণ সিস্টেম: ইঞ্জিন চালিয়ে গাড়ির চলন পরিবর্তন হয়।
  • আবহাওয়া নির্মাণ সিস্টেম: বিশেষ উষ্ণতা সাধারণ তাপমাত্রা পরিবর্তন করে।

এই উদাহরণগুলি প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম সিস্টেমের উপাদানগুলোর পরিবর্তন এবং পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার কিছু উদাহরণ মাত্র এবং এটি সম্পূর্ণ তালিকা নয়। এই উদাহরণগুলি ভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংশ্লিষ্ট পরিবেশ ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের আলোকে বিবেচনা করতে হবে।

সিস্টেমের উপাদানসমূহের পরিবর্তন ও বিভিন্ন মিথস্ক্রিয়া যেভাবে সিস্টেমের আপাত স্থিতিশীলতা তৈরি করে তা ব্যাখ্যা-

সিস্টেমের উপাদানসমূহের পরিবর্তন এবং বিভিন্ন মিথস্ক্রিয়া যেভাবে সিস্টেমের আপাত স্থিতিশীলতা তৈরি করে তা ব্যাখ্যার জন্য আমরা পরিবেশের বিজ্ঞান, প্রকৃতি বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞানিক গবেষণা থেকে প্রাপ্ত সম্পর্কিত তথ্যের উপর ভিত্তি করব। এখানে কিছু উদাহরণ দেয়া হল:

  • বন্যার প্রভাব: অনেক সময়ে মানুষের পরিবর্তিত কাজের ফলে নদীর প্রবাহ পরিবর্তিত হয়। এটি অনেকেরই মিথস্ক্রিয়ায় যে বন্যা একটি প্রাকৃতিক সিস্টেমের কারণেই ঘটে যায় বলে মনে করতে পারে। সত্যিকারের বন্যার কারণ অন্যান্য পরিবেশের অবস্থার পরিবর্তন, যেমন বৃষ্টিপাত বা পর্বতমালার টপোগ্রাফি পরিবর্তন।
  • জলমানবর বৃদ্ধি: মানুষের বাসাবাড়ি নির্মাণ, জল অভাব, অবিহিত নদী পাটকরণ এবং আরও অনেক কারণে জলমানবর বৃদ্ধি ঘটতে পারে। মিথস্ক্রিয়ায় এটি শুধুমাত্র উষ্ণতাবিদ্যুত্তের কারণে ঘটে থাকে বলে মনে করা হতে পারে। সত্যিকারের জলমানবর বৃদ্ধি পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয়ে ঘটে থাকে।
  • জলজীবীর মৃত্যু: বিভিন্ন কারণে জলের গুণমান পরিবর্তিত হতে পারে, যেমন অতিরিক্ত পানি সারাবস্তী তলে পড়তে পারে এবং জলজীবীর জীবনপ্রদ শর্ত পরিবর্তিত হতে পারে। মিথস্ক্রিয়ায় এটি কেবলমাত্র মানুষের কারণেই ঘটে থাকে বলে মনে করা হতে পারে। সত্যিকারের জলজীবীদের মৃত্যু বিভিন্ন পরিবেশের পরিবর্তনের ফলে ঘটতে পারে।

দৃশ্যমান পরিবেশের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠনের কাঠামো-উপকাঠামো

এই উদাহরণগুলি প্রদত্ত হলো সিস্টেমের আপাত স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করতে সহায়তা করার জন্য। এই উদাহরণগুলি মাত্র প্রাথমিক উদাহরণ এবং আপাত স্থিতিশীলতা নির্ভর করে পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয়ে ঘটতে পারে। পরিবেশের অবস্থান বা পরিবর্তনের অনেক অন্যান্য কারণ থেকে আরও অনেক আপাত স্থিতিশীলতা ঘটতে পারে যা এখানে আলোচনা করা হয়নি। তবে, এই উদাহরণগুলি দ্বারা সিস্টেমের উপাদানসমূহের পরিবর্তন এবং আপাত স্থিতিশীলতার পার্থক্য বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম সিস্টেমের উপাদানসমূহের নিয়ত পরিবর্তন ও পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার ফলে যে আপাত স্থিতাবস্থা সৃষ্টি হয় তা ব্যাখ্যা-

প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম সিস্টেমের উপাদানগুলোর নিয়ত পরিবর্তন ও পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া আপাত স্থিতাবস্থা সৃষ্টি করতে পারে যেমন নিম্নলিখিত উদাহরণগুলি:

  • গ্লোবাল উষ্ণতাবিদ্যুত্ত: অতিরিক্ত জনসংখ্যা ও ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্কিত উষ্ণতাবিদ্যুত্ত ব্যবহার সৃষ্টি করে, যা অধিক কার্বন উদ্ভাসন এবং গ্লোবাল উষ্ণতায় বৃদ্ধির সহিত সম্ভাব্যতা বৃদ্ধি করতে পারে।
  • পরিবহণ সিস্টেম: বৃহত্তর পরিবহণ সিস্টেমে ব্যবহৃত উষ্ণ উদ্ভাসনের কারণে বা বিদ্যুৎসঞ্চালনের ফলে বৃদ্ধি পায়, যা বায়ু মাত্রার গুণমানে পরিবর্ধিত অস্থায়ী প্রকৃতির কারণে বাতাসে নীরব অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে।
  • জলমানবর নির্মাণ প্রক্রিয়া: অন্যতম উপাদান হিসেবে জলমানবর ব্যবহারের ফলে পরিবেশের জলের স্তর বৃদ্ধি হয়, যা পরিবেশের জীব জন্য ভূমিকা পরিবর্তন করতে পারে।

এগুলি কেবলমাত্র কয়েকটি উদাহরণ, এবং বিভিন্ন পরিবেশে আপাত স্থিতাবস্থা সৃষ্টির ব্যাপারে আরও অনেক বিষয় বিবেচনা করা উচিত। সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা জানতে উপযুক্ত পরিবেশ বিজ্ঞান এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় আরও উপলব্ধ তথ্য দরকার।

দৃশ্যমান পরিবেশের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠনের কাঠামো-উপকাঠামো

আরো দেখুন-

এছাড়াও সকল বিষয়ের নমুনা উত্তর সমূহ পাওয়ার জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপ জয়েন করে নাও ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করো এবং ফেসবুক পেজটি লাইক এবং ফলো করে রাখুন। তোমার বন্ধুকে বিষয়টি জানানোর জন্য আমাদের ওয়েবসাইটটি তার খাতায় নোট করে দিতে পারো।

One thought on “দৃশ্যমান পরিবেশের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বস্তুসমূহের গঠনের কাঠামো-উপকাঠামো

  1. লেখাটি ষষ্ঠ শ্রেণির কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। অথচ লেখাটির Sentenceগুলো খাপছাড়া এবং বাক্যস্থিত শব্দগুলোও পরষ্পর অসংলগ্ন।
    এটি সম্ভবতঃ ভিনদেশী ভাষায় লেখা এবং Google Translator এর ন্যায় কোন “যান্ত্রিক অনুবাদ পদ্ধতি” ব্যবহার করে আমাদের বাংলা ভাষায় চালিয়ে দেয়া হয়েছে।
    যুগোপযোগী আধুনিক শিক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের জীবনকে বিষিয়ে তোলার অক্লান্ত প্রচেষ্টাকে Assignment সংক্রান্ত এ লেখাটি আরো বেগবান করবে। সাবাস! সাবাস!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: এই কনটেন্ট কপি করা যাবেনা! অন্য কোনো উপায়ে কপি করা থেকে বিরত থাকুন!!!