আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার মিল-শব্দ খুঁজি

আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার মিল-শব্দ খুঁজি। ষষ্ঠ শ্রেণির প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমাদের জন্য আজ আলোচনা করব বাংলা বিষয়ের ষষ্ঠ অধ্যায় সাহিত্য পড়ি লিখতে শিখি ১ম পরিচ্ছেদের কবিতা আমি সাগর পাড়ি দেবো এর কাজ বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি ও মিল-শব্দ খুঁজি

এই কাজে শিক্ষক তোমাদেরকে কবিতাটি পড়ার পর আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার কাজ বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি ও মিল-শব্দ খুঁজি সে বিষয়ে কয়েকটি প্রশ্ন করবেন। এগুলো তোমরা দলে বিভক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করবে।

প্রথমে জেনে নিই সাহিত্য কি?

সাহিত্য হলো মানুষের সৃষ্ট মৌখিক বা লিখিত সৃষ্টিকর্মের সমষ্টি। এটি মানুষের চিন্তা, অনুভূতি, অভিজ্ঞতা এবং বিশ্বাসকে প্রকাশ করার একটি মাধ্যম। সাহিত্য বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, ইত্যাদি। সাহিত্য মানুষের জীবনকে সমৃদ্ধ করে তোলে। এটি আমাদেরকে শিখতে, বোঝার, অনুভব করতে এবং বিনোদন পেতে সাহায্য করে।

সাহিত্য আমাদেরকে আমাদের চারপাশের বিশ্বকে আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করে। এটি আমাদেরকে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এবং কালচার সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। সাহিত্য আমাদেরকে আমাদের নিজেদের সম্পর্কে আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করে; এটি আমাদেরকে আমাদের চিন্তা, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ করার একটি সুযোগ দেয়। সাহিত্য আমাদেরকে বিনোদন দেয়। এটি আমাদেরকে হাসায়, কাঁদায়, চিন্তিত করে এবং আমাদেরকে নতুন কিছু শেখায়।

উদাহরণস্বরূপ, যদি আমরা একটি হাস্যরসাত্মক গল্প পড়ি, তাহলে আমরা হাসতে পারি। যদি আমরা একটি ট্র্যাজিক গল্প পড়ি, তাহলে আমরা কাঁদতে পারি। যদি আমরা একটি রহস্য গল্প পড়ি, তাহলে আমরা চিন্তিত হতে পারি। এবং যদি আমরা একটি শিক্ষামূলক গল্প পড়ি, তাহলে আমরা নতুন কিছু শিখতে পারি।

সাহিত্য একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এটি আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করতে পারে, আমাদেরকে শিক্ষা দিতে পারে এবং আমাদেরকে বিনোদন দিতে পারে। সাহিত্য আমাদেরকে আমাদের চারপাশের বিশ্বকে আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করতে পারে এবং আমাদেরকে আমাদের নিজেদের সম্পর্কে আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করতে পারে। সাহিত্য আমাদেরকে একটি সমৃদ্ধ জীবনযাপন করতে সাহায্য করতে পারে।

বুঝে লিখি

‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’ কবিতাটি পড়ে কী বুঝতে পারলে তা নিচে লেখো।

আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার মিল-শব্দ খুঁজি

এই কবিতা পড়ে আমি যে বিষয়টি বুঝতে পারলাম তা হচ্ছে – কবি বিশ্বজোড়া হাটে সপ্ত মধুকর ময়ূরপঙ্খী নাও নিয়ে ঘুরে বেড়াতে চান। লাল পাল তুলে সমুদ্রের সকল বিপদকে তুচ্ছ করে রাজহংশের মতো এগিয়ে যাবেন। সমুদ্র কবিকে নানা উপহারে ভরিয়ে দিবে। সমুদ্রের মধ্যে জেগে উঠা দ্বীপ হবে কবির আস্তানা। হাঙ্গর, কুমির তিমিকে কবি ভয় পাবে না। পথের বিপদ দেখে কবি ভয় পাওয়ার ছেলে নন।

কবি সকল দেশ থেকে বিভেদের দেয়াল মুছে ফেলতে চান বন্যা দিয়ে। কবি বিশ্বাস করেন পারস্পরিক দেওয়া নেওয়া। নিজ দেশের সুধা অন্য দেশকে দিবেন এবং অন্য দেশের সুধা নিজ দেশে নিয়ে আসবেন। কবি দেশমাতাকে মা বলে সম্বোধন করেছেন। কারণ দেশমাতার কোন চিন্তা নেই কবি যদি বাণিজ্যে যান। বাণিজ্যে গিয়ে কবি দেশের দুঃখ দূর করবেন। দুঃখিনী দেশ মাতার দুঃখ ঘুচাবেন। জগতের সকল সুখ কুড়িয়ে এনে দেশমাতাকে জড়িয়ে রাখবেন।

আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার মিল-শব্দ খুঁজি

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতাটি একটি দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের কবিতা। কবি নজরুল ইসলাম এই কবিতায় দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি সমুদ্র পাড়ি দিয়ে হলেও দেশকে স্বাধীন করবেন। তিনি তার দেশকে ভালোবাসেন এবং তার দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত।

কবিতার প্রথম স্তবকে কবি বলেছেন, তিনি সমুদ্র পাড়ি দিয়ে হলেও দেশকে স্বাধীন করবেন। তিনি তার দেশের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, তিনি তার দেশের জন্য যুদ্ধ করবেন এবং বিজয়ী হবেন।

কবিতার দ্বিতীয় স্তবকে কবি বলেছেন, তিনি তার দেশের জন্য সবকিছু করবেন। তিনি তার দেশের জন্য কাজ করবেন এবং তার দেশের জন্য গান গাইবেন। তিনি তার দেশের জন্য সাহসী হবেন এবং তার দেশের জন্য লড়াই করবেন।

কবিতার তৃতীয় স্তবকে কবি বলেছেন, তিনি তার দেশের জন্য মৃত্যুবরণ করতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, তিনি তার দেশের জন্য মারা যাবেন এবং তার দেশের জন্য শহীদ হবেন। তিনি বলেন, তিনি তার দেশের জন্য চিরদিন বেঁচে থাকবেন।

কবিতার শেষ স্তবকে কবি বলেছেন, তিনি তার দেশের জন্য গর্ববোধ করেন। তিনি বলেন, তিনি তার দেশের জন্য গর্বিত। তিনি বলেন, তিনি তার দেশের জন্য মৃত্যুবরণ করতে প্রস্তুত। আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার মিল-শব্দ খুঁজি

আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতাটি একটি দেশপ্রেমের কবিতা। এটি একটি মুক্তিযুদ্ধের কবিতা। এটি একটি স্বাধীনতার কবিতা। এটি একটি কবিতা যেখানে কবি তার দেশকে ভালোবাসেন এবং তার দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত।

কবিতার মূলভাব হলো দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধ। কবি নজরুল ইসলাম এই কবিতায় দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি সমুদ্র পাড়ি দিয়ে হলেও দেশকে স্বাধীন করবেন। তিনি তার দেশকে ভালোবাসেন এবং তার দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত।

কবিতার এই মূলভাবটি সমগ্র বাংলা জাতির জন্য অনুপ্রেরণাস্বরূপ। এটি আমাদেরকে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগিয়ে তোলে। এটি আমাদেরকে শক্তি ও সাহস দেয়। এটি আমাদেরকে দেশকে স্বাধীন ও সমৃদ্ধ করার জন্য কাজ করতে উৎসাহিত করে।

জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি

‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’ কবিতাটির সাথে তোমার জীবনের বা চারপাশের কোন মিল খুঁজে পাও কি না, কিংবা সম্পর্কে খুঁজে পাও কি না, তা নিচে লেখো।

এই কবিতায় কবি বিভেদের দেয়াল বন্যা এনে ভাঙ্গার কথা বলেছেন। বর্তমান সময়ে সারা বিশ্ব এক বিশ্বগ্রামে পরিণত হয়েছে। আমরা এখন চাইলে যে কোন দেশে যেতে পারি। বিভেদের দেয়াল এখন আর নেই। সমুদ্র পাড়ি দিতে পারি। পূর্বে সমুদ্র পাড়ি দেওয়া নিয়েও যথেষ্ট ভীতি ছিল মানুষের মনে। এখন তা নেই। এখন বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। এক দেশের উদবৃত্ত পণ্য অন্য দেশে রপ্তানি করা হয়। যে কথাটি কবি একটু ভিন্নভাবে বলেছেন। তিনি বলেছেন যে, আমার দেশের সুধা অন্য দেশে নেবো এবং অন্য দেশের সুধা আমার দেশে নিয়ে আসব।

আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার সাথে আমার জীবনের অনেক মিল খুঁজে পাই। আমিও একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, আমিও বিশ্বাস করি যে আমি যেকোনো কিছু অর্জন করতে পারি যদি আমি শুধুমাত্র চেষ্টা করি। আমিও একজন সাহসী, আমিও ভয়কে জয় করতে চাই। আমিও একজন দেশপ্রেমিক, আমিও আমার দেশের জন্য গর্বিত।

আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার মিল-শব্দ খুঁজি

আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার সাথে আমার চারপাশের অনেক মিলও খুঁজে পাই। আমি দেখি যে অনেক মানুষ আছেন যারা তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন। আমি দেখি যে অনেক মানুষ আছেন যারা ভয়কে জয় করে সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন। আমি দেখি যে অনেক মানুষ আছেন যারা তাদের দেশের জন্য লড়াই করছেন।

আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতাটি আমাকে অনুপ্রাণিত করে। এটি আমাকে মনে করিয়ে দেয় যে আমি যেকোনো কিছু অর্জন করতে পারি যদি আমি শুধুমাত্র চেষ্টা করি। এটি আমাকে মনে করিয়ে দেয় যে ভয়কে জয় করা সম্ভব। এটি আমাকে মনে করিয়ে দেয় যে দেশপ্রেম একটি শক্তিশালী অনুভূতি।

আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতাটি আমার জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এটি আমাকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে, এটি আমাকে সাহসী হতে শিখিয়েছে, এটি আমাকে দেশপ্রেমকে অনুভব করতে শিখিয়েছে। আমি এই কবিতাটিকে আমার জীবনে সবসময় স্মরণ রাখব।

মিল-শব্দ খুঁজি

ছড়া-কবিতায় এক লাইনের শেষ শব্দের সাথে পরের লাইনের শেষ শব্দের মিল থাকে। যেমন- সওদাগর-মধুকর, ঘাটে-হাটে, তুলে-দুলে ইত্যাদি। তোমরাও এভাবে মিল-শব্দ তৈরি করতে পারো। নিচে কিছু শব্দ দেওয়া হলো। এগুলোর এক বা একাধিক মিল-শব্দ লেখো।

শব্দমিল শব্দ
১. ঘাটবাট, নাট, লাট, হাট, আট, কাঠ, খাট, পাট, পাঠ, মাঠ।
২. কেনাচেনা, দেনা, সেনা।
৩. রতনযতন, পতন, মতন।
৪. দোলাখোলা, গোলা, ঘোলা, ছোলা, টোলা, তোলা, ফোলা, ভোলা।
৫. তারকার, ছাড়, পার, আর, দার, চার, ধার, ভার, হার, দ্বার।
৬. আশাবাসা, কাশা, ঠাসা, হাসা, কাঁসা, ভাষা, চাষা, পাশা, নাসা।
৭. দেশকেশ, বেশ, রেশ, লেশ, শেষ।
৮. ভয়জয়, লয়, ক্ষয়, হয়, কয়, নয়, রয়, ছয়।
৯. হাজারবাজার, মাজার।
১০. তোরচোর, মোর, ভোর, জোর, ঘোর।
১১. করবোচরবো, মরবো, নড়বো, পরবো, পড়বো, ভরবো, লড়বো।
১২. দেয়ালখেয়াল, শেয়াল।
আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার মিল-শব্দ খুঁজি

লেখক সম্পর্কে জেনে নিই নানা অজানা তথ্য-

আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার লেখক হলেন কাজী নজরুল ইসলাম। তার রচিত কবিতার মধ্যে অন্যতম বিখ্যাত কবিতাই হলো “আমি সাগর পাড়ি দেবো”। এই কবিতাটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬) একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, সংগীতশিল্পী, নাট্যকার এবং সাংবাদিক। তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত।

নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৪শে মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাত্র ১০ বছর বয়সে মাকে এবং ১৮ বছর বয়সে বাবা-মাকে হারান। ১৯১৭ সালে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯১৯ সালে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন এবং সাহিত্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন।

আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার মিল-শব্দ খুঁজি

নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে এক অসামান্য অবদান। তিনি বাংলা ভাষায় অসংখ্য কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক এবং প্রবন্ধ রচনা করেছেন। তার রচিত কবিতার মধ্যে অন্যতম বিখ্যাত কবিতাই হলো “বিদ্রোহী”। এই কবিতাটি ১৯২১ সালে প্রকাশিত হয়।

“বিদ্রোহী” কবিতাটি একটি বিদ্রোহী কবিতা। এই কবিতায় কবি নজরুল ইসলাম ব্রিটিশ শাসন ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি ব্রিটিশ শাসনকে উৎখাত করবেন এবং একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলা গঠন করবেন।

“বিদ্রোহী” কবিতাটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছিল। এই কবিতাটি মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছিল। এই কবিতাটি আজও বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটি অনুপ্রেরণাস্বরূপ।

নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালের ২৯শে আগস্ট ভারতের কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৭৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।

আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতার মিল-শব্দ খুঁজি

নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে এক অসামান্য অবদান। তিনি বাংলা ভাষায় অসংখ্য কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক এবং প্রবন্ধ রচনা করেছেন।

নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে এক অসামান্য অবদান। তিনি বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছেন তার অসাধারণ কবিতার মাধ্যমে। তিনি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি ব্রিটিশ শাসন ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন তার কবিতায়। তিনি বাংলা সাহিত্যে নারী জাগরণের অগ্রদূত। তিনি তার কবিতায় নারীকে স্বাধীন ও সমান অধিকারের অধিকারী বলে ঘোষণা করেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রকৃতিপ্রেমী কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি তার কবিতায় প্রকৃতির সৌন্দর্যকে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে মানবতাবাদী কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি তার কবিতায় মানবতার মর্মবাণী উচ্চারণ করেছেন।

নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে এক অসামান্য অবদান। তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত।

“আমি সাগর পাড়ি দেবো” কবিতাটি একটি দেশপ্রেমের কবিতা। এই কবিতায় কবি নজরুল ইসলাম তার দেশের জন্য লড়াই করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি সমুদ্র পাড়ি দিয়ে হলেও তার দেশকে স্বাধীন করবেন। তিনি তার দেশের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত।

“আমি সাগর পাড়ি দেবো” কবিতাটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছিল। এই কবিতাটি মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছিল। এই কবিতাটি আজও বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটি অনুপ্রেরণাস্বরূপ।

আরো দেখুন-

এছাড়াও সকল বিষয়ের নমুনা উত্তর সমূহ পাওয়ার জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপ জয়েন করে নাও ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করো এবং ফেসবুক পেজটি লাইক এবং ফলো করে রাখুন। তোমার বন্ধুকে বিষয়টি জানানোর জন্য আমাদের ওয়েবসাইটটি তার খাতায় নোট করে দিতে পারো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: এই কনটেন্ট কপি করা যাবেনা! অন্য কোনো উপায়ে কপি করা থেকে বিরত থাকুন!!!