আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি

আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি। ষষ্ঠ শ্রেণির প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমাদের জন্য আজ আলোচনা করব বাংলা বিষয়ের ষষ্ঠ অধ্যায় সাহিত্য পড়ি লিখতে শিখি কবিতা পড়ি ২ এর আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি।

এই কাজে শিক্ষক তোমাদেরকে কবিতাটি পড়ার পর আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি সে বিষয়ে কয়েকটি প্রশ্ন করবেন। এগুলো তোমরা দলে বিভক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করবে।

আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি

জসীমউদ্দীন পল্লিকবি নামে পরিচিত। তিনি পল্লির জীবন ও প্রকৃতি নিয়ে অনেক কবিতা লিখেছেন। আমার বাড়ি কবিতাটি তাঁর ‘হাসু’ নামের কবিতার বই থেকে নেওয়া হয়েছে।

আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি

কবিতা বুঝি

শিক্ষকের নির্দেশ অনুযায়ী তোমরা দলে ভাগ হও। ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কী বলা হয়েছে, তা দলে আলোচনা করে বোঝার চেষ্টা করো। কোন দল কেমন বুঝতে পেরেছে, তা যাচাই করার জন্য এক দল অপর দলকে প্রশ্ন করবে। এজন্য আগেই দলে আলোচনা করে কাগজে প্রশ্নগুলো লিখে রাখো।

বুঝে লিখি

“আমার বাড়ি” কবিতাটি পড়ে কী বুঝতে পারলে তা নিচে লেখো।

জসীমউদ্দীনের “আমার বাড়ি” কবিতাটি একটি আবেগপ্রবণ কবিতা। কবি তার বাড়িকে একটি আদর্শ জায়গা হিসেবে কল্পনা করেছেন। সেখানে সবকিছুই সুন্দর এবং শান্ত। বাড়ির চারপাশে সবুজ গাছপালা, ফুল ফোটে। বাড়ির ভেতরে সবকিছু পরিষ্কার এবং সাজানো-গোছানো। বাড়ির মানুষরা সবসময় খুশি থাকে। কবি তার বাড়িকে খুব ভালবাসেন। তিনি বাড়িতে থাকতে খুবই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

‘আমার বাড়ি কবিতায় প্রিয়জনকে কবির নিজের গ্রামের বাড়িতে নিমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। কবি তাকে নানা যত্নআত্তি ও আদর সমাদর করবেন। কবি শালিধানের চিড়ে, বিন্নি ধানের খই, বাড়ির গাছের কবরি কলা এবং গামছা বাধা দই দিয়ে আপ্যায়ন করবেন। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কেমন করে অতিথির প্রাণ জুড়াবেন তারও বর্ণনা দিয়েছেন কবি। এছাড়াও কবি বন্ধুকে নিজ বাড়ির পথও বাতলে দিয়েছেন। কোন পথে তার বাড়ি যেতে হবে, কীভাবে বাড়ি চিনতে হবে তা বলে দিয়েছেন। কবিতায় প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসার মনোভাব ও অতিথি সৎকারে বাঙালির জীবনের সৌজন্যও ফুটে উঠেছে

কবিতাটিতে কবি বাড়িকে একটি আশ্রয়স্থল হিসেবেও কল্পনা করেছেন। বাড়ি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ সবকিছু ভুলে গিয়ে শান্তিতে থাকতে পারে। বাড়ি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ তার পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে পারে। বাড়ি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ তার শৈশবের স্মৃতিগুলো মনে করতে পারে।

কবিতাটি আমাদের বাড়ির গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষা দেয়। বাড়ি হলো আমাদের সবচেয়ে কাছের জায়গা। বাড়ি হলো আমাদের আশ্রয়স্থল। বাড়ি হলো আমাদের শান্তি ও আনন্দের জায়গা। আমরা আমাদের বাড়িকে সবসময় ভালবাসতে এবং যত্ন করতে পারি।

আমার বাড়ি কবিতাটি পড়ে আমি বাড়ির গুরুত্ব সম্পর্কে অনেক কিছু শিখেছি। আমি বুঝতে পেরেছি যে বাড়ি হলো আমাদের সবচেয়ে কাছের জায়গা। বাড়ি হলো আমাদের আশ্রয়স্থল। বাড়ি হলো আমাদের শান্তি ও আনন্দের জায়গা। আমি আমার বাড়িকে সবসময় ভালবাসতে এবং যত্ন করতে চাই।

জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি

“আমার বাড়ি” কবিতাটির সাথে তোমার জীবনের বা চারপাশের কোনো মিল খুঁজে পাও কি না, কিংবা কোনো সম্পর্ক খুঁজে পাও কি না, তা নিচে লেখো।

আমি আমার জীবনের বা চারপাশের সাথে “আমার বাড়ি” কবিতাটির কিছু মিল খুঁজে পেয়েছি। ‘আমার বাড়ি’ পল্লিকবি জসীমউদদীন রচিত একটি সুপরিচিত শিশুতোষ কবিতা। তাঁর কবিতায় বাংলাদেশের পল্লিপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের সহজসরল স্বাভাবিক রূপটি ফুটে উঠেছে। পল্লির মাটি ও মানুষের জীবনচিত্র তাঁর কবিতায় নতুন মাত্রা পেয়েছে। তিনি এরকম অনেক কবিতা লিখেছেন। সেই জন্যে তাঁকে পল্লিকবি বলা হয়। ‘আমার বাড়ি’ কবিতায়ও এই কথার সমর্থন মেলে। কবিতাটি কবির হাসু’ নামক কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত কবিতার শুরুতেই অতিথিপরায়ণ বাঙালির পরিচয় পাওয়া যায়।

প্রথমত, কবিতাটিতে বাড়িকে একটি আশ্রয়স্থল হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বাড়ি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ সবকিছু ভুলে গিয়ে শান্তিতে থাকতে পারে। আমার জীবনেও বাড়ি হলো আমার আশ্রয়স্থল। বাড়ি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে আমি সবসময় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আমি বাড়িতে থাকতে খুবই ভালোবাসি।

আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি

দ্বিতীয়ত, কবিতাটিতে বাড়িকে একটি আনন্দের জায়গা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বাড়ি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ তার পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে পারে। আমার জীবনেও বাড়ি হলো আমার আনন্দের জায়গা। বাড়ি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে আমি আমার পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে পারি। আমি বাড়িতে থাকতে খুবই ভালোবাসি।

তৃতীয়ত, কবিতাটিতে বাড়িকে একটি স্মৃতির জায়গা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বাড়ি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ তার শৈশবের স্মৃতিগুলো মনে করতে পারে। আমার জীবনেও বাড়ি হলো আমার স্মৃতির জায়গা। বাড়ি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে আমি আমার শৈশবের স্মৃতিগুলো মনে করতে পারি। আমি বাড়িতে থাকতে খুবই ভালোবাসি।

আমি মনে করি “আমার বাড়ি” কবিতাটি আমাদের বাড়ির গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষা দেয়। বাড়ি হলো আমাদের সবচেয়ে কাছের জায়গা। বাড়ি হলো আমাদের আশ্রয়স্থল। বাড়ি হলো আমাদের শান্তি ও আনন্দের জায়গা। আমরা আমাদের বাড়িকে সবসময় ভালবাসতে এবং যত্ন করতে পারি।

এবার জেনে নিই সাহিত্য কি?

সাহিত্য হলো মানুষের সৃষ্ট মৌখিক বা লিখিত সৃষ্টিকর্মের সমষ্টি। এটি মানুষের চিন্তা, অনুভূতি, অভিজ্ঞতা এবং বিশ্বাসকে প্রকাশ করার একটি মাধ্যম। সাহিত্য বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, ইত্যাদি। সাহিত্য মানুষের জীবনকে সমৃদ্ধ করে তোলে। এটি আমাদেরকে শিখতে, বোঝার, অনুভব করতে এবং বিনোদন পেতে সাহায্য করে।

সাহিত্য আমাদেরকে আমাদের চারপাশের বিশ্বকে আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করে। এটি আমাদেরকে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এবং কালচার সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। সাহিত্য আমাদেরকে আমাদের নিজেদের সম্পর্কে আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করে; এটি আমাদেরকে আমাদের চিন্তা, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ করার একটি সুযোগ দেয়। সাহিত্য আমাদেরকে বিনোদন দেয়। এটি আমাদেরকে হাসায়, কাঁদায়, চিন্তিত করে এবং আমাদেরকে নতুন কিছু শেখায়।

আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি

উদাহরণস্বরূপ, যদি আমরা একটি হাস্যরসাত্মক গল্প পড়ি, তাহলে আমরা হাসতে পারি। যদি আমরা একটি ট্র্যাজিক গল্প পড়ি, তাহলে আমরা কাঁদতে পারি। যদি আমরা একটি রহস্য গল্প পড়ি, তাহলে আমরা চিন্তিত হতে পারি। এবং যদি আমরা একটি শিক্ষামূলক গল্প পড়ি, তাহলে আমরা নতুন কিছু শিখতে পারি।

সাহিত্য একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এটি আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করতে পারে, আমাদেরকে শিক্ষা দিতে পারে এবং আমাদেরকে বিনোদন দিতে পারে। সাহিত্য আমাদেরকে আমাদের চারপাশের বিশ্বকে আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করতে পারে এবং আমাদেরকে আমাদের নিজেদের সম্পর্কে আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করতে পারে। সাহিত্য আমাদেরকে একটি সমৃদ্ধ জীবনযাপন করতে সাহায্য করতে পারে।

কবি পরিচিতি :

আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি

জসীমউদ্দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ – ১৩ মার্চ ১৯৭৬) একজন বাঙালি কবি, গীতিকার, গদ্যলেখক, লোকসংস্কৃতি সংগ্রাহক এবং রেডিও ব্যক্তিত্ব। তিনি বাংলাদেশে পল্লী কবি হিসেবে পরিচিত, তার রচনায় বাংলা লোকসংস্কৃতির সত্যনিষ্ঠ রূপায়ণের জন্য। জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার স্কুল এবং ফরিদপুর জেলা স্কুলে পড়াশোনা করেন। তিনি ১৯২১ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ১৯২৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. এবং ১৯৩১ সালে এম.এ. ডিগ্রি লাভ করেন।

জসীমউদ্দীন ১৯৩৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রামতনু লাহিড়ী গবেষণা সহকারী পদে যোগ দেন। ১৯৩৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৯ সালে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডি.লিট. উপাধিতে ভূষিত করে। তিনি ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

জসীমউদ্দীনের উল্লেখযোগ্য রচনাগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯)
  • সোনার তরী (১৯৩৩)
  • কবর (১৯৩৮)
  • ময়নামতি (১৯৪৪)
  • পদ্মা নদীর মাঝি (১৯৪৮)
  • বাংলার মাটি (১৯৫১)
  • সিরাজদ্দৌলা (১৯৫৬)
  • রুদ্রমঙ্গল (১৯৬০)
  • ঝিঝিৎলাল (১৯৬৩)
  • সীমান্ত (১৯৬৬)
  • ঘোড়া ঘুড়ি (১৯৬৯)

জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি বাংলা কবিতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। তার কবিতাগুলি বাংলার গ্রামীণ জীবন ও সংস্কৃতির অপূর্ব চিত্রায়ণ। তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি।

আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি

জসীমউদ্দীনের রচনাগুলির মধ্যে কয়েকটি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়।

  • তিনি বাংলার গ্রামীণ জীবন ও সংস্কৃতিকে তার রচনায় অপূর্বভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
  • তার রচনাগুলিতে বাংলার লোককথা, লোকসঙ্গীত, লোকসংস্কৃতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
  • তার রচনাগুলিতে ভাষার ব্যবহার অত্যন্ত সহজ ও সরল।
  • তার রচনাগুলিতে ছন্দের ব্যবহার অত্যন্ত সুন্দর ও মাধুর্যপূর্ণ।
  • তার রচনাগুলিতে ছবির ব্যবহার অত্যন্ত দক্ষ ও সৃজনশীল।

আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি

কবিতায় যে বর্ণনা থাকে, তাকে গদ্যে রূপান্তর করা যায়। ‘আমার বাড়ি’ কবিতা থেকে এ রকম একটি বিবরণ
তৈরি করা হলো:

বন্ধু, তুমি আমার বাড়িতে বেড়াতে এসো। বসার জন্য তোমাকে পিঁড়ি পেতে দেবো। নাশতা হিসেবে শালি
ধানের চিঁড়া ও বিন্নি ধানের খই দেবো। সাথে দেবো কবরি কলা আর গামছা-বাঁধা দই। আম-কাঁঠাল ঘেরা
গাছের ছায়ায় আঁচল পেতে শুয়ে থেকো। গাছের শাখা দুলিয়ে তোমাকে বাতাস করব। সকালবেলা তোমার
ঘুম ভাঙবে গোরুর দুধ দোয়ানোর শব্দ শুনে। সারাদিন আমি তোমার সঙ্গে খেলা করব। আমার বাড়ির ডালিম
গাছে ডালিম ফুল ফোটে। কাজলা দিঘির জলে হাঁস সাঁতার কাটে। আমার বাড়িতে যাওয়ার সোজা রাস্তা আছে;
যেখানে মৌরি ফুল ফোটে, সেখানে গিয়ে তোমার গাড়ি থামিয়ো।

আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি

কবিতাটিতে কবি তার বাড়িকে একটি আদর্শ জায়গা হিসেবে কল্পনা করেছেন। সেখানে সবকিছুই সুন্দর এবং শান্ত। বাড়ির চারপাশে সবুজ গাছপালা, ফুল ফোটে। বাড়ির ভেতরে সবকিছু পরিষ্কার এবং সাজানো-গোছানো। বাড়ির মানুষরা সবসময় খুশি থাকে। কবি তার বাড়িকে খুব ভালবাসেন। তিনি বাড়িতে থাকতে খুবই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

কবিতাটিতে কবি বাড়িকে একটি আশ্রয়স্থল হিসেবেও কল্পনা করেছেন। বাড়ি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ সবকিছু ভুলে গিয়ে শান্তিতে থাকতে পারে। বাড়ি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ তার পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে পারে। বাড়ি হলো এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ তার শৈশবের স্মৃতিগুলো মনে করতে পারে।

কবিতাটি আমাদের বাড়ির গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষা দেয়। বাড়ি হলো আমাদের সবচেয়ে কাছের জায়গা। বাড়ি হলো আমাদের আশ্রয়স্থল। বাড়ি হলো আমাদের শান্তি ও আনন্দের জায়গা। আমরা আমাদের বাড়িকে সবসময় ভালবাসতে এবং যত্ন করতে পারি।

এবার দেখি, বাংলা সাহিত্যে কবিতার গুরুত্ব কিরূপ-

কবিতা হলো সাহিত্যের একটি শাখা যা ভাষার ছন্দ, ছবি এবং অর্থের ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের আবেগ, চিন্তাভাবনা এবং অনুভূতি প্রকাশ করে। কবিতা মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে তুলে ধরে, যেমন প্রেম, বিরহ, মৃত্যু, জীবন, প্রকৃতি, ইতিহাস, রাজনীতি, ধর্ম, সমাজ, সংস্কৃতি, ইত্যাদি।

কবিতা আমাদেরকে আমাদের চারপাশের জগৎকে নতুন করে দেখতে এবং বুঝতে সাহায্য করে। কবিতা আমাদেরকে আমাদের নিজের আবেগ, চিন্তাভাবনা এবং অনুভূতিগুলিকে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। কবিতা আমাদেরকে আমাদেরকে অন্যদের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। কবিতা আমাদেরকে আমাদেরকে আনন্দিত, দুঃখিত, রাগান্বিত, ভীত, বিস্মিত, ইত্যাদি করতে সাহায্য করে। কবিতা আমাদেরকে আমাদেরকে চিন্তা করতে, অনুভব করতে, এবং শিখতে সাহায্য করে।

আমার বাড়ি কবিতা বুঝে লিখি, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজি

কবিতা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শাখা। কবিতা আমাদেরকে আমাদের চারপাশের জগৎকে নতুন করে দেখতে এবং বুঝতে সাহায্য করে। কবিতা আমাদেরকে আমাদের নিজের আবেগ, চিন্তাভাবনা এবং অনুভূতিগুলিকে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। কবিতা আমাদেরকে আমাদেরকে অন্যদের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। কবিতা আমাদেরকে আমাদেরকে আনন্দিত, দুঃখিত, রাগান্বিত, ভীত, বিস্মিত, ইত্যাদি করতে সাহায্য করে। কবিতা আমাদেরকে আমাদেরকে চিন্তা করতে, অনুভব করতে, এবং শিখতে সাহায্য করে।

আরো দেখুন-

এছাড়াও সকল বিষয়ের নমুনা উত্তর সমূহ পাওয়ার জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপ জয়েন করে নাও ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করো এবং ফেসবুক পেজটি লাইক এবং ফলো করে রাখুন। তোমার বন্ধুকে বিষয়টি জানানোর জন্য আমাদের ওয়েবসাইটটি তার খাতায় নোট করে দিতে পারো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: এই কনটেন্ট কপি করা যাবেনা! অন্য কোনো উপায়ে কপি করা থেকে বিরত থাকুন!!!