আমার দেখা নয়াচীন পড়ে কী বুঝলাম

আমার দেখা নয়াচীন পড়ে কি বুঝলাম ? ষষ্ঠ শ্রেণির প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমাদের জন্য আজ আলোচনা করবো বাংলা বিষয়ের পঞ্চম অধ্যায় বুঝে পড়ি লিখতে শিখি দ্বিতীয় পরিচ্ছদের প্রয়োগিক লেখা আমার দেখা নয়াচীন এ দেয়া প্রথম কাজ পড়ে কী বুঝলাম

এখানে শিক্ষক তোমাদেরকে অনুচ্ছেদটি পড়ার পর আমার দেখা নয়াচীন পড়ে কী বুঝলাম সে বিষয়ে কয়েকটি প্রশ্ন করবেন। এগুলো তোমরা দলে বিভক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে উদঘাটন করতে হবে।

আমার দেখা নয়াচীন

জীবনে অনেক ঘটনা ঘটে, অনেক অভিজ্ঞতা থাকে, যা লিখে রাখা যায়। লিখে রাখলে কখনো তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতার বিবরণ দেয়া হয়েছে এই গল্পে। এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ❝ আমার দেখা নয়াচীন ❞ বই থেকে নেওয়া হয়েছে। ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসে চীনের একটি সম্মেলনে যোগ দিতে এবং বঙ্গবন্ধু চীন সফরে গিয়েছিলেন। ১৯৫৪ সালে এই ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি আমার দেখা নয়াচীন বইটি লেখেন। এটি ২০২০ সালে ছাপা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং জাতির পিতা।

আমার দেখা নয়াচীন পড়ে কী বুঝলাম

আমার দেখা নয়াচীন পড়ে কী বুঝলাম

পড়ে কী বুঝলাম

ক. লেখক এখানে কিসের বিবরণ দিয়েছেন?লেখক এখানে তার নয়াচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার বিবরণ দিয়েছেন।
খ. বিবরণটি কোন সময়ের ও কোন দেশের?বিবরণটি ১৯৫২ সালের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নয়াচীন ভ্রমণের সময়ের অভিজ্ঞতা।
বিবরণটি চীনদেশের।
গ. এই বিবরণে বাংলাদেশের সাথে কী কী মিল-অমিল আছে?এই বিবরণে বাংলাদেশের সাথে যেসব মিল অমিল আছে তা হলো:
লেখক নয়াচীনে মিউজিয়াম, লাইব্রেরী দেখেছেন। আর দেখেছেন শহরের পাশ দিয়ে চলে গেছে নদী। সেই নদীতে বাংলাদেশের মতো পাল তোলা নৌকা চলছে। এসব বিষয়ে বাংলাদেশের সাথে নয়া চীনের মিল আছে। কেননা বাংলাদেশে মিউজিয়াম, লাইব্রেরির, নদী আছে এবং নদীতে পাল তুলে নৌকা চলে।

কিন্তু, লেখক দেখেছেন চীনের লোকেরা দেশি মালের প্রতি বেশি প্রিয়। তারা দেশি মাল ব্যবহার করে। বিদেশি মাল কম দামের হলেও কিনে না। প্রয়োজনে তারা বেশি দাম দিয়ে দেশীয় মালামাল কিনে নেয়। তিনি আরো দেখেছেন চীনারা খুব সচেতন। অতিরিক্ত দাম বাড়লে সেখানে তাদের শাস্তি দেওয়া হয়। কালোবাজারি ও মুনাফা খোরদের সরকার কঠোর শাস্তি দেয়। তাই দোকানদারদের মধ্যে সবসময় ভীতির সঞ্চার হয়। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সাথে বেশ অমিল রয়েছে। কেননা, আমাদের দেশে এ বিষয়ে জনগণ ও সরকার অসচেতন। মুনাফাখোর ও কালোবাজারিরা ইচ্ছেমতো মালের দাম বাড়িয়ে দেয়। আর জনগণ তা স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়।
ঘ. লেখাটিতে চীনের মানুষের দেশপ্রেমের কোন নমুনা পাওয়া যায়?চীনারা দেশপ্রেমিক। দেশের প্রতি তাদের অগাধ বিশ্বাস ও প্রেম। তার একটি উদাহরণ হচ্ছে- লেখক দেখেছেন, তারা দেশীয় সাইকেল বেশি দামে কিনে নেয়। অথচ সস্তা দামের বিদেশী সাইকেল কিনে না। দেশি মাল থাকলে তারা বিদেশি মাল কিনতে চায় না। এটাই তাদের দেশপ্রেমের নমুনা।
ঙ. এই লেখা থেকে নতুন কী কী জানতে পারলে?এ লেখা থেকে যেসব বিষয় নতুন জানতে পারলাম তা হলো-

১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নয়াচীন ভ্রমণ অভিজ্ঞতা।
২. আমাদের দেশের ন্যায় সেখানেও মিউজিয়াম, লাইব্রেরী ও খেলার মাঠ আছে। আর আছে নদী নালা। নদীতে পালতোলা বিভিন্ন নৌকা ও লঞ্চ চলে।
৩. চীনারা দেশপ্রেমিক। দেশীয় মাল তাদের পছন্দ। দেশীয় মাল দামে বেশি হলেও কিনে। অথচ বিদেশী মাল সস্তা হলেও কিনে না।
৪. চীনের জনগণ সচেতন। দোকানদার ইচ্ছামতো দাম বাড়াতে পারে না। বাড়ালে ছেলে বাপকে এবং স্ত্রী স্বামীকে ধরিয়ে দেয়। দোকানদাররা সবসময় ভীত থাকে।
৫. মুনাফাখোরি ও কালোবাজারি সেখানে নেই তাদের ধরিয়ে দিতে পারলে সরকার তাদের কঠিন শাস্তি দেয়।
আমার দেখা নয়াচীন পড়ে কী বুঝলাম

আমার দেখা নয়াচীন পড়ে কী বুঝলাম

উপরের উত্তরটি ❝ বুঝে পড়ি লিখতে শিখি ❞ অধ্যায়ের পড়ে কী বুঝলাম এ বিষয়ের আইডিয়া থেকে তুমি নিজের পছন্দ অনুযায়ী নমুনা ফরমেট এর সাহায্যে দ্বিতীয় পরিচ্ছদের প্রয়োগিক লেখা আমার দেখা নয়াচীন এ দেয়া প্রথম কাজ পড়ে কী বুঝলাম কাজটি সম্পন্ন করে তোমার শিক্ষকের নিকট জমা দিবে।

আরো দেখুন-

এছাড়াও সকল বিষয়ের নমুনা উত্তর সমূহ পাওয়ার জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপ জয়েন করে নাও ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করো এবং ফেসবুক পেজটি লাইক এবং ফলো করে রাখুন। তোমার বন্ধুকে বিষয়টি জানানোর জন্য আমাদের ওয়েবসাইটটি তার খাতায় নোট করে দিতে পারো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: এই কনটেন্ট কপি করা যাবেনা! অন্য কোনো উপায়ে কপি করা থেকে বিরত থাকুন!!!